Rising Voices
গ্লোবাল ভয়েসেস অনলাইন
(একটি অলাভজনক সিটিজেন মিডিয়া প্রজেক্ট) বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সিটিজেন মিডিয়া টুলগুলো প্রসারের জন্যে ‘রাইজিং ভয়েসেস’ নামক প্রকল্প গঠন করেছে। বাংলাদেশসহ অনেক উন্নয়নশীল দেশে ইন্টারনেট ক্রমান্বয়ে সহজলভ্য ও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কিন্তু অনেকেই ব্লগিং, ভিডিও ব্লগিং এবং পডকাস্টিং জাতীয় টুলগুলোর সুবিধা বা এগুলো কিভাবে সহজে ব্যবহার করা যায় সে সম্পর্কে জানেননা।

এক জন/দল আদর্শ প্রক্লপ প্রস্তাবকারী সেইসব স্পেসিফিক কমিউনিটিগুলোকে এই জাতীয় নাগরিক সাংবাদিকতার টেকনিকগুলো শেখানোর জন্য বিস্তারিত ও উদ্ভাবনমুলক পদ্ধতির প্রয়োগ করবেন। ইন্টারনেট ক্রমশ: সহজলভ্য ও সাধারন মানুষের আয়ত্বের মধ্যে চলে আসছে, কম্পিউটারের মুল্য কমছে, এবং প্রয়োগমুলক সফটওয়্যার ডেস্কটপ থেকে ওয়েবে স্থানান্তরিত হচ্ছে – যা তথাকথিত ডিজিডাল ডিভাইডকে সন্কুচিত করতে সাহায্য করছে। কিন্তু এর বদলে আমরা পাচ্ছি ‘অংশগ্রহনের শুন্যতা‘ (participation gap) যেখানে বেশীরভাগ ব্লগ, পডকাস্ট এবং ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করছে বিশ্বের বড় শহরগুলো থেকে মধ্যবিত্ত নাগরিকদের কমিউনিটি।

‘রাইজিং ভয়েসেস’ এর লক্ষ্য হচ্ছে নতুন নতুন কমিউনিটি থেকে নতুন কন্ঠগুলোকে ওয়েবের আলাপে (conversational web) নিয়ে আসা। এর জন্য ‘রাইজিং ভয়েসেস’ স্থানীয় ব্যক্তি/গোষ্ঠীকে অর্থ ও অন্যান্য সাহায্য করতে প্রস্তুত যারা এইসব স্বল্প প্রতিনিধিত্বকারী কমিউনিটি নিয়ে কাজ করবে। ‘রাইজিং ভয়েসেস’ ব্লগ প্রসার প্রকল্পের অনুদান হবে ১০০০ -৫০০০ ইউ এস ডলার।

সম্ভাব্য প্রকল্পের উদাহরন হচ্ছে:

* একটি স্বল্পমুল্যের ডিজিটাল ভিডিও ক্যামেরা কিনে গ্রামের কিছু ছাত্রদের শেখানো কিভাবে তাদের দাদা-দাদী বা নানা-নানীর জীবন নিয়ে একটি ভিডিও ডকুমেন্টারী করা যায়।

* এতিমখানায় ব্লগিং এবং ফটোগ্রাফী নিয়ে একটি রেগুলার ওয়ার্কশপ করা। প্রকল্পের বাজেটের অর্থ দ্বারা স্বল্পমুল্যের ডিজিটাল ক্যামেরা কেনা এবং ইন্টারনেট ক্যাফে ব্যবহারের খরচ মেটানো যাবে। এর ফলে এতিমখানার ছেলেমেয়েরা বিশ্বের পাঠকদের কাছে তাদের কথা/চিত্র তুলে ধরতে পারবে।

* একটি স্থানীয় এনজিও/সামাজিক সংস্থার সাথে কাজ করা ও তাদের প্রশিক্ষন দেয়া যাতে তারা তাদের দৃষ্টান্তমুলক কাজগুলো বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে পারে।

বিস্তারিত জানতে এখান থেকে পড়ুন

আবেদনের শেষ সময় আগামী ১৫ই জুন।